ইংরেজি বিভাগ

ইংরেজি বিভাগ
    বিষয়বস্তু খুঁজে পাওয়া যায় নাই
    এইচ এস সি

    আরও পড়ুন
    • বিদেশে ছাপানো ৪৭ লাখ বই এখনো পায়নি শিশুরা

      পোস্টের তারিখ : ১৮-০৩-২০১৭
      বই উৎসবের ফাইল ছবি ঢাকা: নতুন বছরের পহেলা তারিখ ঘটা করে হয়েছে বই উৎসব। কিছু কিছু জায়গায় নতুন চকচকে বই পৌঁছে গেছে বলে প্রাণোচ্ছলতাও দেখা যায় উৎসবে। তবে উৎসবের এক সপ্তাহ পেরুলেও এখনও বিদেশে ছাপানো ৪৭ লাখ বই অনেক শিশুর হাতে পৌঁছায়নি। আবার দেশি প্রকাশকদের অনেকে সময়মতো বই সরবরাহ করতে না পারায় ৭২টি প্রতিষ্ঠানের বিল আটকে দেওয়া হয়েছে। নিম্নমানের কাগজ সরবরাহের কারণে বিল আটকে দেওয়া হয়েছে চারটি কাগজকলের। এদিকে পাঠ্যবইয়ে ভুল ও অসংগতির কারণে সমালোচনার মুখে পড়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। এসব তদন্তে এরইমধ্যে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার। এনসিটিবি সূত্র জানা যায়, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও চট্টগ্রামের কয়েকটি এলাকায় প্রাথমিক স্তরের শিশুরা সব বই পায়নি। পরিস্থিতি সামাল দিয়ে ৩৮ জেলার মজুদ বই পাঠিয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে দু’একটি করে বই দিয়ে ১ জানুয়ারি ‘দায়সারা’ পাঠ্যপুস্তক উৎসব করা হয়। এজন্য ট্রাক ভাড়া বাবদ ৭ লাখ টাকা খরচ করতে হয়েছে এনসিটিবিকে। কারণ অনুসন্ধানে জানা যায়, ভারতের শীর্ষাসাই বিজনেস নামের একটি প্রতিষ্ঠান মুম্বাই ও পুনেতে ৪৭ লাখ বই ছাপার কাজ করে, যা প্রাথমিকের মোট বইয়ের প্রায় ৪ শতাংশ। দরপত্র অনুযায়ী ডিসেম্বরের মধ্যে এসব বই পৌঁছানোর কথা ছিলো। এ বিষয়ে এনসিটিবির চেয়ারম্যান নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরে পাঠ্যবইগুলো খালাস হয়েছে। শিগগিরই স্কুলে পৌঁছাবে। যদিও এনসিটিবির বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, ছাপানো বইগুলো কোথায় আছে, তা এখনও অস্পষ্ট। এ বছর সারাদেশের প্রাক-প্রাথমিক, মাধ্যমিক, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ৪ কোটি ২৬ লাখ ৩৫ হাজার ৯২৯ জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩৬ কোটি ২১ লাখ ৮২ হাজার ২৪৫টি বই বিনামূল্যে বিতরণের কথা জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রাথমিক স্তরের ১১ কোটি ৫৫ লাখ ২৬ হাজার ৯৫২টি বই ছাপানো হয়েছে আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে। দেশের পাশাপাশি এবার ভারত ও চীনে প্রাথমিক স্তরের বই ছাপানো হয়েছে। জানা যায়, বই উৎসবের এক সপ্তাহ পেরুলেও নোয়াখালী শহর ও নয়টি উপজেলায় শিক্ষার্থীরা একটি বা দু’টি করে বই পেয়েছে। জেলা শহরের লক্ষ্মীনারায়ণপুর পৌর আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হরিনারায়ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাইজদী বালিকা বিদ্যানিকেতন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, অরুণ চন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাইজদী পিটিআই-সংলগ্ন পরীক্ষণ বিদ্যালয়ে খোঁজ নিয়ে এ তথ্য জানা যায়। আরও পড়ুন
    • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন ১৭ জানুয়ারি

      পোস্টের তারিখ : ১৮-০৩-২০১৭
      সমাবর্তনের তারিখ ঘোষণা করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ঢাকা: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমার্বতন আগ‍ামী ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে বুধবার (৪ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকা নগর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ। তিনি জানান, আগামী ১৭ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বিকেল ৩টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতির আসন অলঙ্কৃত করবেন রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর মো. আবদুল হামিদ। ওইদিন তিনি শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ তুলে দেবেন। ১৯৯৮ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়ে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৪৯৩২ জন নিবন্ধনকৃত স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী এতে অংশ নেবেন। এদের মধ্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জন করায় আট শিক্ষার্থীকে স্বর্ণপদক দেওয়া হবে। সমাবর্তনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান। প্রতিষ্ঠার ২৪ বছরে উৎসাহ আর উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে প্রথম সমাবর্তন আয়োজনের অংশ হিসেবে দৈনিক পত্রিকায় ক্রোড়পত্র প্রকাশ, ডকুমেন্টারি তৈরি, বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজীপুর ক্যাম্পাস ও বিভাগীয় শহরের ৬টি আঞ্চলিক অফিসে সাজানো, রাজধানী ঢাকা ছাড়াও ৬টি বিভাগীয় শহরে ছাত্র-শিক্ষকদের অংশগ্রহণে একই সময় ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’ বের হবে। ওইদিন ঢাকায় জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হয়ে বাংলা একাডেমি-দোয়েল চত্বর ঘুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হবে। আগামী ১৩-১৫ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর কার্যালয়ে (বাড়ি # ৫৮, রোড # ৮/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত নিবন্ধন করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে গাউন বিতরণ করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আসলাম ভূঁইয়া, অধ্যাপক ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু, ট্রেজারার অধ্যাপক নোমান উর রশীদ, ডিন অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন, ড. মোবাশ্বেরা খানম, রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসাইন ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বদরুজ্জামান। আরও পড়ুন
    • চলছে গাড়ি, বাড়ছে জ্ঞান

      পোস্টের তারিখ : ১৮-০৩-২০১৭
      বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম বগুড়া: কারো হাতে গল্পের বই, কারো হাতে কবিতার। আবার কেউ বা সাধারণ জ্ঞানের বইয়ে ডুব দিয়েছে। সবাই নিজ নিজ পছন্দের বইটি বেছে নিতে ব্যস্ত। তাদের এই বই মিলবে সপ্তাহে মাত্র তিনদিন। বগুড়ায় কয়েকজন স্বপ্নবাজ তরুণ ছেলেমেয়েদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস করতে, গড়ে তুলেছেন ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি। প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে লাইব্রেরি সুবিধা পৌঁছে দিতে ‘ভ্রাম্যমাণ ভ্যান লাইব্রেরি’ তাদের একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস। বুধবার (১১ জানুয়ারি) এই লাইব্রেরি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে। শুভ এ কাজের পথচলা শুরু হয়েছিল আরও চার বছর আগে। সচেতনতামূলক বিভিন্ন ধরনের কাজের লক্ষ্য নিয়ে বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার কয়েকজন শিক্ষিত যুবক ‘দি অলটারনেটিভ ইউথ ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। সৈকত, রিকো, শোভন, আরিফ, মামুন, শুভ্র- সবাই ‘দি অলটারনেটিভ ইউথ ফোরাম’র সদস্য। তারা সবাই সোনাতলা উপজেলার বাসিন্দা। স্থানীয় কলেজে লেখাপড়া করেন। এর মধ্যে সৈকত মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। তিনিই মূলত এ কাজের প্রধান উদ্যোক্তা। অলটারনেটিভ ইউথ ফোরামের সদস্য শোভন বাংলানিউজকে জানান, ছেলেমেয়েদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে ‘উজ্জীবন পাঠগৃহ’ নামে একটি পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করা হয়। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ, রক্ত প্রদান-সংগ্রহসহ বেশ কিছু সামাজিক কাজ হাতে নিয়ে মাঠে নামেন তারা। এরই ধারাবাহিকতায় স্কুলপড়ুয়া ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার সুবিধার্থে ‘ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে উপজেলা সদর ও আশেপাশের ১০টি পয়েন্টে সপ্তাহের তিনদিন এ লাইব্রেরির কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে জানালেন এ উদ্যোগের আরেক সহযাত্রী আরিফ। শিক্ষার্থীদের বইমুখী করতে এ উদ্যোগ সম্প্রসারণ করা হবে। তিনি জানালেন, ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি থেকে দেশ, স্বাধীনতা, সাহিত্য, কবিতা, গল্প, সাধারণ জ্ঞানসহ বিভিন্ন ধরনের বই পড়তে পারবে শিক্ষার্থীরা। সুবর্ণা, রানী, মানছুরা, সিয়াম, শাকিলসহ স্কুলপড়ুয়া অনেক শিক্ষার্থী এসেছে বই পড়তে। তারা বাংলানিউজকে জানায়, লাইব্রেরিতে সুন্দর সুন্দর বই রয়েছে। অনেক গল্পের বই আছে। বইগুলো পড়ে ভীষণ মজা পেয়েছি। এর আগে কখনও এসব বই দেখিনি। মরিয়ম নামে এক শিক্ষার্থীর বললো, আমার বাবা দিনমজুরের কাজ করে। খাতা-কলম কেনারই টাকা নেই। সেখানে অন্য বই কিনবো কী করে। এখন এই লাইব্রেরি থেকে নতুন নতুন বই পড়তে পারবে জেনে আমার খুব ভালো লাগছে। আরও পড়ুন
    • শাবিপ্রবির সাংস্কৃতিক জোটের দুই সংগঠনকে স্থায়ী অব্যাহতি

      পোস্টের তারিখ : ১৮-০৩-২০১৭
      সিলেট (শাবিপ্রবি): শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতিকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ প্লাটফর্ম সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট থেকে স্থায়ীভাবে দু’টি সংগঠনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৪ জানুয়ারি) সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আহ্বায়ক তৌহিদ জামাল অমি স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। ভর্তি জালিয়াতি ইস্যুকে কেন্দ্র করে সংগঠন দু’টির বিতর্কিত সিদ্ধান্তের জন্যে এমন সিদ্ধান্ত নেয় জোট। স্থায়ীভাবে অব্যাহতি পাওয়া সংগঠন দু’টি হলো- শেকড় এবং শাহজালাল ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি (এসইউডিএস)। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জালিয়াতির হোতাদের বিচার না হওয়া, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে প্রশাসনের অর্থায়নে অনুষ্ঠান না করার সিদ্ধান্ত অমান্য করা এবং কমপক্ষে তিনবার শোকজ দেওয়ার পরও জোটের বিরুদ্ধে অসাংগঠনিক কার্যকলাপের কারণে তাদের স্থায়ীভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এ বিষয়ে জোটের আহ্বায়ক তৌহিদ জামাল বাংলানিউজকে বলেন, জোটের সিদ্ধান্ত অমান্য করায় তাদের স্থায়ীভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন
    • ৪ টির মধ্যে ১ - ৪ তম আইটেম দেখানো হচ্ছে