ডিগ্রী ১ম বছর

এই কিছুদিন আগেই তুলনা হতো। যে গতিতে ছুটছেন, এর চেয়ে গতি খানিকটা কমে এলেও সব রেকর্ড ভেঙে দেবেন নির্ঘাত। তবে সে তো অনেক দূরের পথ, তবু এখনই কেউ কেউ বিরাট কোহলিকে শচীন টেন্ডুলকারের চেয়ে এগিয়ে রাখতে শুরু করেছেন। কপিল দেবই তো বললেন, কোহলির মতো ব্যাটসম্যান তিনি আর কখনো দেখেননি। ইনজামামও বলেছেন, কোহলি ম্যাচ জেতানো ইনিংসের দিক দিয়ে বাকি সবার চেয়ে এগিয়ে। টেন্ডুলকারের চেয়েও কোহলি বড় ম্যাচ উইনার!

এমন কথাবার্তায় বেশ বিব্রতই হন ভারতের টেস্ট অধিনায়ক। ভারতের একটি পত্রিকাকে তিনি জানিয়েছেন, টেন্ডুলকার যে তাঁর কাছে ক্রিকেট দেবতা, এই আসন কখনোই সরে যাবে না। শুধু কি তাই? ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টির দুর্দান্ত ফর্মটা কোহলি টেস্টে টেনে আনতে পারছিলেন না। প্রথম ২৪ ইনিংসে মাত্র দুটি সেঞ্চুরি ছিল। বলাবলি হচ্ছিল, কোহলি টেস্টের কঠিন পরীক্ষায় পাস করার মতো নন। সেই কোহলি টেস্টেও এখন ৫০-এর ওপরে গড়ে রান করছেন।


আর এই বদলে যাওয়ার পেছনে, রঙিন কোহলিকে টেস্ট ব্যাটসম্যান হয়ে ওঠাতে বড় অবদান রেখেছেন টেন্ডুলকারই। টেন্ডুলকার যে তাঁর অভিজ্ঞতা থেকে দিয়েছিলেন মোক্ষম এক দাওয়াই।

কোহলি স্মরণ করলেন সেই সময়টার কথা। বছর দু-এক আগে ব্যর্থ ইংল্যান্ড সফরে খুব বাজে করেছিলেন কোহলি। ৩-১ ব্যবধানে হেরে যাওয়া সিরিজে কোহলিকে সেবার খুঁজেই পাওয়া যায়নি। ইংল্যান্ডে ৫ টেস্টে তাঁর গড় ১৪-র ঘরে! এমন পারফরম্যান্সের পর সমালোচনার ঝড় উঠেছিল ভারতীয় মিডিয়ায়। খুব ভেঙে পড়েছিলেন কোহলি। এমন সময় টেন্ডুলকারই তাঁকে বলেছিলেন, মিডিয়া থেকে মন সরিয়ে মনোযোগটাকে পুরোপুরি খেলায় নিবদ্ধ করতে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কোহলির কণ্ঠে সেই আবেগ ও কৃতজ্ঞতা, ‘ব্যাপারটা আমাকে টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে পিছিয়ে দিচ্ছিল। টেন্ডুলকার আমাকে অনেক পরামর্শ দিয়েছিলেন তখন। তবে সেরা পরামর্শটা ছিল পত্র-পত্রিকা থেকে দূরে থাকা। পত্রিকায় নিজের সম্পর্কে কী লেখা হচ্ছে, সেগুলো নিয়ে মাথা না ঘামানো।’

অধিনায়কত্ব তাঁর খেলার উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলেও মনে করেন কোহলি, ‘অধিনায়ক হওয়াটা আমার অনেক কাজে এসেছে। মাঠের বাইরের ব্যাপারটা আমি মাথা থেকে দূরে রাখতে পারছি। কারণ, আমার পত্রিকা পড়া ও মাঠের বাইরের বিষয় নিয়ে ভাবার সময় নেই বললেই চলে। অধিনায়ক হিসেবে আমাকে দলের কথা ভাবতে হয়, কী করলে দলের ভালো হবে—এই ব্যাপারটা আমাকে মনোযোগ পুরোপুরি মাঠে রাখতে সাহায্য করে।’

বছরটা দুর্দান্তই কাটছে এই মারকুটে ব্যাটসম্যানের। ২০১৬ সালটা যেন আশীর্বাদ হয়েই দেখা দিয়েছে তাঁর জন্য। পেয়েছেন তিনটি ডবল সেঞ্চুরি। টেস্ট ক্রিকেটে এক বর্ষপঞ্জিকায় এক হাজার রান করে নিজের ব্যক্তিগত সংগ্রহকে নিয়ে গেছেন ৪ হাজারে ।


ডিগ্রী ২য় বছর

‘মেসি না রোনালদো?’—বিতর্ক তো সব সময়ই হয়। হয়তো এই বিতর্ক আছে বলেই দুজনের এত দুর্দান্ত দ্বৈরথটা আরও বেশি উপভোগ্য। কিন্তু সত্যিটা হলো, এই প্রজন্মের ফুটবলপ্রেমীদের ভাগ্য, একই সঙ্গে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা দুই ফুটবলারকে একই সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দেখছে।

বার্সেলোনা-রিয়াল মাদ্রিদে খেলেন বলেই হয়তো মেসি আর রোনালদোর মধ্যে কথিত প্রতিদ্বন্দ্বিতা এত জোরালো, এত দুকূলপ্লাবী। সমর্থকেরাও তাই যেন আরও বেশি বিভক্ত। কিন্তু কী হতো যদি প্রতিদ্বন্দ্বী নয়; ওঁরা হতেন সতীর্থ? কী হতো, যদি মেসি ও রোনালদো দুজন একই দলে খেলতেন!

এটা নিশ্চিত, প্রতিপক্ষ হয়তো মাঠেই নামতে চাইতো না। এক বাঘই সামলানো যেখানে দায়, সেখানে দুটি বাঘের মিলিত আক্রমণের সামনে সেধে কে পড়তে চায়?

নিছক মজা করেই বলা। তবে কী হতে পারত, সেটির একটা ধারণা দিয়েছেন স্বয়ং ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। পরশুই ক্যারিয়ারের চতুর্থ ব্যালন ডি’অর জিতেছেন পর্তুগিজ অধিনায়ক। এরপর ফ্রেঞ্চ ফুটবল ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, ‘আমাদের দুজনকে একই দলে দেখাটা অনেক মজার একটা ব্যাপার হতো। আমার মনে হয়, গ্রেট খেলোয়াড়দের একই দলে খেলা উচিত।’

তা দুজন একসঙ্গে খেললে কী হতো? রোনালদো একটু মজাই করেছেন উত্তরটা দিতে গিয়ে, ‘আমার মনে হয়, ওর (মেসি) চেয়ে তাহলে আমিই বেশি ব্যালন ডি’অর জিততাম। অবশ্য ও খুব একটা পিছিয়ে থাকত না।’

দুজনের সম্পর্কটা ঠিক বন্ধুর মতো না হলেও কখনো যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ছাপ ছিল না, সেটি মেসি-রোনালদো দুজনই অনেকবার বলেছেন। ব্যালন ডি’অর জয়ের পর যেমন আরেকবার বার্সেলোনা ফরোয়ার্ডের প্রশংসা করেছেন রোনালদো, ‘সবাই জানে মেসি অসাধারণ একজন খেলোয়াড়। পাঁচবার ব্যালন ডি’অর জিতেছে।’

রোনালদো শুধু ব্যালন ডি’অর–কে বেশি জিতত সেই হিসাবটা দিয়েই শেষ করে দিয়েছেন। কিন্তু সমর্থক মাত্রই হয়তো এখন কল্পনাবিলাসে নেমে যাবেন, ‘আহা, যদি সত্যিই দুজন একই দলে খেলতেন!’ ডান পাশ থেকে মেসির ডিফেন্স-চেরা লং বলে ডিফেন্ডারকে পায়ের নাচনে ছিটকে ফেলে রোনালদোর বুলেটগতির শট... কল্পনাটা এমন রঙিনই হওয়ার কথা। কিংবা রোনালদোর থ্রু ধরে বক্সে ঢোকা মেসির চিপ করা ​গোল!

কিন্তু তেমন হতে হলে মেসিকে রিয়াল মাদ্রিদে যেতে হবে, নতুবা রোনালদোকে বার্সেলোনায়। অথবা দুজনকে একসঙ্গে ভিন্ন কোনো ক্লাবে যেতে হবে। প্রীতি ম্যাচে হলেও তা হতে পারে, প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে সেই সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।



ডিগ্রী ৩য় বছর

সম্রাট—ইন্টার মিলানের সমর্থকেরা আদর করে তাকে এই নামেই ডাকত। সেই অর্থে প্রাসাদে না থাকলেও সুরম্য অট্টালিকা ছিল তাঁর ঠিকানা। প্রতিভার কথা বললে অনেকেই তাঁর মধ্যে দেখতেন রোনালদো-রোনালদিনহোর ছায়া। সেই আদ্রিয়ানো এখন কোথায় আছেন, কেমন আছেন? অকালেই আড়ালে চলে যাওয়া ব্রাজিলের এক সময়ের এই তারকা স্ট্রাইকারের ঠিকানা জেনে অনেকেই চমকে উঠতে পারেন। রিও ডি জেনেইরোর এক বস্তিতেই তাঁর বসবাস। সেই বস্তিও আবার কুখ্যাত অপরাধীদের আস্তানা! অস্ত্র আর মাদকের ছড়াছড়ি।

ফ্ল্যামেঙ্গোতে আলো ছড়িয়ে পুরো ফুটবল বিশ্বেরই নজর কেড়েছিলেন আদ্রিয়ানো। ইউরোপের বড় বড় ক্লাবগুলো তাঁকে পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল। ২০০১ সালে সে দৌড়ে জেতে ইন্টার মিলান। এক মৌসুম পর আদ্রিয়ানোকে ধারে ফিওরেন্টিনা নিয়ে নেয়। এর পর পারমা ঘুরে আবার ইন্টারে ফেরেন ২০০৪ সালে। সেখানে ভালোই চলছিল সবকিছু। খেলেছিলেনও দারুণ। ইন্টারের সমর্থকদের কাছে অল্পেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন।
ক্যারিয়ারের সেরা সময়ে ২০০৫ সালে কনফেডারেশনস কাপের সেরা ফুটবলার ও সর্বোচ্চ গোলদাতার দুটি পুরস্কার জিতেছিলেন। সেমিফাইনালে জার্মানি আর ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দুই ম্যাচেই করেছিলেন জোড়া গোল। সেবার ফাইনালে তো আর্জেন্টিনাকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল ব্রাজিল। নায়ক ছিলেন আদ্রিয়ানো।
কিন্তু সেই নায়কেরই পতন হতে শুরু করল। ডোবাল অতি ফুর্তিবাজ চরিত্রটি। ছুটিতে গিয়ে কারণে অকারণে দেরিতে ফিরতেন ক্লাবে। বিভিন্ন উপলক্ষে অতিরিক্ত পান করতেন। হয়ে যেতেন চূড়ান্ত উদ্দাম।
প্রথম দিকে আদ্রিয়ানোর এই বিষয়গুলো এড়িয়ে যেত ক্লাব কর্তৃপক্ষ। তবে ধীরে ধীরে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে তারা। এক সময় তাঁকে সাও পাওলোতে পাঠিয়ে দেয় ইন্টার। এরপর আর ইন্টারে ফেরা হয়নি। ফ্ল্যামেঙ্গো-করিন্থিয়ানসের মাঝে এক মৌসুম খেলে যান ইতালির ক্লাব রোমায়। কিন্তু ক্রমে আরও বেশি পানাসক্ত হয়ে পড়েন। আলোর জগৎ থেকে ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে থাকেন অন্ধকারে। মিলেমিশে একাকার হয়ে যান রিওর অপরাধ জগতের সঙ্গে। একবার তো মাদক পাচারের দায়ে গ্রেপ্তারও হন।
এ বছরের জুলাইয়ে তাঁর রিওর বস্তিতে বসবাসের বিষয়টি নিয়ে বেশ হইচই হয়েছিল। ব্রাজিলের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবরও আসে। রিও অলিম্পিক চলার সময় পুরো বিশ্বের সংবাদমাধ্যমের মনোযোগ ছিল সেখানে। ফলে আদ্রিয়ানোর বস্তিবাসের জীবনটাও ফলাও করে উঠে আসে। টুইটার আর সংবাদমাধ্যমে আসা বিভিন্ন ছবি দেখে বোঝা যায়, এক সময় বিলাসবহুল জীবনযাপন করা আদ্রিয়ানো বস্তির জীবনে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছেন ভালোভাবেই। জীবন বাঁচিয়ে রাখতে রেড কমান্ড গ্যাংকে নাকি নিয়মিত মাসোহারাও দেন! এই দলটির সঙ্গে রাইফেল হাতে ছবিও এসেছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে—হাতে বিরাট এক রাইফেল নিয়ে হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছেন আদ্রিয়ানো। ভাবা যায়!
আসলে কিসের টানে সব পেয়েও সব হারালেন অমিত প্রতিভাবান এই ফুটবলার? উত্তর একটাই—সর্বনাশা মাদক কেড়ে নিয়েছে তাঁর সব। আদ্রিয়ানোর জীবন থেকে অনেক কিছু শেখার আছে বৈকি!


ডিগ্রী ৪থ বছর

সম্রাট—ইন্টার মিলানের সমর্থকেরা আদর করে তাকে এই নামেই ডাকত। সেই অর্থে প্রাসাদে না থাকলেও সুরম্য অট্টালিকা ছিল তাঁর ঠিকানা। প্রতিভার কথা বললে অনেকেই তাঁর মধ্যে দেখতেন রোনালদো-রোনালদিনহোর ছায়া। সেই আদ্রিয়ানো এখন কোথায় আছেন, কেমন আছেন? অকালেই আড়ালে চলে যাওয়া ব্রাজিলের এক সময়ের এই তারকা স্ট্রাইকারের ঠিকানা জেনে অনেকেই চমকে উঠতে পারেন। রিও ডি জেনেইরোর এক বস্তিতেই তাঁর বসবাস। সেই বস্তিও আবার কুখ্যাত অপরাধীদের আস্তানা! অস্ত্র আর মাদকের ছড়াছড়ি।

ফ্ল্যামেঙ্গোতে আলো ছড়িয়ে পুরো ফুটবল বিশ্বেরই নজর কেড়েছিলেন আদ্রিয়ানো। ইউরোপের বড় বড় ক্লাবগুলো তাঁকে পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল। ২০০১ সালে সে দৌড়ে জেতে ইন্টার মিলান। এক মৌসুম পর আদ্রিয়ানোকে ধারে ফিওরেন্টিনা নিয়ে নেয়। এর পর পারমা ঘুরে আবার ইন্টারে ফেরেন ২০০৪ সালে। সেখানে ভালোই চলছিল সবকিছু। খেলেছিলেনও দারুণ। ইন্টারের সমর্থকদের কাছে অল্পেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন।
ক্যারিয়ারের সেরা সময়ে ২০০৫ সালে কনফেডারেশনস কাপের সেরা ফুটবলার ও সর্বোচ্চ গোলদাতার দুটি পুরস্কার জিতেছিলেন। সেমিফাইনালে জার্মানি আর ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দুই ম্যাচেই করেছিলেন জোড়া গোল। সেবার ফাইনালে তো আর্জেন্টিনাকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল ব্রাজিল। নায়ক ছিলেন আদ্রিয়ানো।
কিন্তু সেই নায়কেরই পতন হতে শুরু করল। ডোবাল অতি ফুর্তিবাজ চরিত্রটি। ছুটিতে গিয়ে কারণে অকারণে দেরিতে ফিরতেন ক্লাবে। বিভিন্ন উপলক্ষে অতিরিক্ত পান করতেন। হয়ে যেতেন চূড়ান্ত উদ্দাম।
প্রথম দিকে আদ্রিয়ানোর এই বিষয়গুলো এড়িয়ে যেত ক্লাব কর্তৃপক্ষ। তবে ধীরে ধীরে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে তারা। এক সময় তাঁকে সাও পাওলোতে পাঠিয়ে দেয় ইন্টার। এরপর আর ইন্টারে ফেরা হয়নি। ফ্ল্যামেঙ্গো-করিন্থিয়ানসের মাঝে এক মৌসুম খেলে যান ইতালির ক্লাব রোমায়। কিন্তু ক্রমে আরও বেশি পানাসক্ত হয়ে পড়েন। আলোর জগৎ থেকে ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে থাকেন অন্ধকারে। মিলেমিশে একাকার হয়ে যান রিওর অপরাধ জগতের সঙ্গে। একবার তো মাদক পাচারের দায়ে গ্রেপ্তারও হন।
এ বছরের জুলাইয়ে তাঁর রিওর বস্তিতে বসবাসের বিষয়টি নিয়ে বেশ হইচই হয়েছিল। ব্রাজিলের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবরও আসে। রিও অলিম্পিক চলার সময় পুরো বিশ্বের সংবাদমাধ্যমের মনোযোগ ছিল সেখানে। ফলে আদ্রিয়ানোর বস্তিবাসের জীবনটাও ফলাও করে উঠে আসে। টুইটার আর সংবাদমাধ্যমে আসা বিভিন্ন ছবি দেখে বোঝা যায়, এক সময় বিলাসবহুল জীবনযাপন করা আদ্রিয়ানো বস্তির জীবনে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছেন ভালোভাবেই। জীবন বাঁচিয়ে রাখতে রেড কমান্ড গ্যাংকে নাকি নিয়মিত মাসোহারাও দেন! এই দলটির সঙ্গে রাইফেল হাতে ছবিও এসেছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে—হাতে বিরাট এক রাইফেল নিয়ে হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছেন আদ্রিয়ানো। ভাবা যায়!
আসলে কিসের টানে সব পেয়েও সব হারালেন অমিত প্রতিভাবান এই ফুটবলার? উত্তর একটাই—সর্বনাশা মাদক কেড়ে নিয়েছে তাঁর সব। আদ্রিয়ানোর জীবন থেকে অনেক কিছু শেখার আছে বৈকি!