• Image

    অধ্যক্ষ মহোদয়ের নেতৃত্বে বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন

    ২১ শে ফেব্রæয়ারি ২০১৯ উদযাপন আরও পড়ুন
  • Image

    বিজ্ঞান ভবন

    আমাদের ক্যাম্পাস
  • Image
    ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও নিরাময়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০১৯
  • Image

    অধ্যক্ষ মহোদয়ের কক্ষ

    শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড ...
প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৬৯ সাল
সরকারি খন্দকার মোশাররফ হোসেন কলেজের উত্তর দিকে দ্বীতল ভবনে অফিস রুম, লাইব্রেরী, কমনরুমসহ মানবিক ও বানিজ্য শাখা
সরকারি খন্দকার মোশাররফ হোসেন কলেজের পশ্চিম দিকের দ্বীতল ভবনে সাইন্স ল্যাবরোটেরী, কম্পিউটার ল্যাবসহ সাইন্সের সকল ক্লাস ও পরিক্ষা নেওয়া হয়।
সরকারি খন্দকার মোশাররফ হোসেন কলেজেরমাঠের দক্ষিন পশ্চিমে একতলা বিশিষ্ট মসজিদ।
সরকারি খন্দকার মোশাররফ হোসেন কলেজের দুই ভবনের সামনে প্রশস্ত খেলার মাঠ ।
সরকারি খন্দকার মোশাররফ হোসেন কলেজের পূর্বদিকে হোষ্টেল নির্মানের জন্য খোলা জায়গা এবং একটি শিড়ি বাধাই করা পুকুর খনন করা আছে।
মোট জমির পরিমান- ০৭ একর।
মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ৯৫০
পাশের হার ৫১.১১
ইতিহাস কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৯ সালে ১৬ই জুলাই এবং ২রা আগষ্ট যশোর বোর্ডের অনুমোদন লাভ করে। প্রথমে পুরনো হাইস্কুল প্রাঙ্গণ অর্থাৎ বর্তমান মহিলা ডিগ্রী কলেজে এবং পরে বর্তমান হাইস্কুলের এসেম্বিলহলে পরিচালিত হতে থাকে। কলেজটির প্রতিষ্ঠাকল্পে জনাব রফিউদ্দীন সরদার, হাজী মকবুল হোসেন, নূর মোহাম্মদ সরদার এবং মাসুদুন্নবী চৌধুরী ওরফে পান্নূ মিয়া, শামসুর রহমান, আসাদুজ্জামান কাটু মিয়া প্রমুখ কয়েকজন উৎসাহী কর্মী যথেষ্ট পরিশ্রম ও ত্যাগ স্বীকার করেন। কলেজটির জন্য স্থানীয় ব্যবসায়ী জনাব খোন্দকার মোশাররফ হোসেন অনেক অবদান রাখেন। সেই জন্য তাঁর নামেই কলেজটির নামকরণ হয় ‘খোন্দকার মোশাররফ হোসেন কলেজ’ এবং বর্তমান স্থানেই কোটচাঁদপুর রেলওয়ে ষ্টেশনের দক্ষিণ পূর্ব কোণে রেল লাইনের ধারেই কলেজটি স্থানান্তরিত হয় এবং ৭ একর জমির উপর নিজস্ব কলেজ বিল্ডিং-এ পরিচালিত হয়ে আসছে। প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন জনাব এস, এম, তাজুল ইসলাম এবং ১৯৭০ সাল থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত অধ্যক্ষের পদে ছিলেন জনাব আবদুল মতলেব এবং কলেজটির উত্তরোত্তর উন্নতী করণে জনাব আব্দুল মতলেবের অবদান অপরিশীম। ১৯৭৫ সালে কলেজটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক পর্যায়ে অনুমোদন লাভ করে। ১৯৮৩ সালে তৎকালীন পৌর চেয়ারম্যান জনাব এম এ ওয়াদুদ হুলা মিয়া কলেজটি সরকারী করনে মাহামান্য রাষ্ট্রপতি জেনারেল হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদকে অনুরোধ করেন এবং পরবর্তীতে কলেজটি সরকারী করণ হয়। বর্তমানে কলেজটি অনার্স কোর্স চালু হয়েছে।